আগামী ২০২৭ সালের আগ পর্যন্ত দারাজ বাংলাদেশ ব্রেক ইভেন অতিক্রম করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক। এখন পর্যন্ত এই অনলাইন মার্কেট প্লেসটি ই-কমার্সে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। এই বিনিয়োগ আগামী আরোক কয়েক বছর অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের তুলনায় এ বছর দ্বিগুণ ব্যবসায় প্রবৃদ্ধির আশা করছে দারাজ।
দারাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাহিদল হক বলেছেন, ‘দারাজের এখনকার লস মার্জিন বলা ডিভিকাল্ট হবে। ২০২৭ এর আগে দেয়ার ইজ নো চাঞ্চস দারাজ বাংলাদেশ ব্রেক ইভেনে যাবে। ইন ই-কমার্স উই আর ইনভেস্টিং মানি; এবং উই নিড টু ডু অ্যাট লিস্ট ফাইভ টু সিক্স ইয়ারস।’
এতো বেচা-কেনার পরও কেন লাভ করতে পারছে না তার ব্যাখ্যায় তিনি আরো বলেন, একটি রেফ্রিজারেটার যদি চিটাগাং থেকে অর্ডার দেয়া হয়, আমরা ৩৯০-৯৫ টাকা ডেলিভারি চার্জ নেই। কিন্তু যে কোনো যে কোনো কুরিয়ারে পাঠাতে এক্ষেত্রে খরচ হয় এক হাজার টাকা। অর্থাৎ শুধু একটি ডেলিভারিতে ৬০০ টাকার মতো লস হচ্ছে।
কেন এই ক্ষতি মেনে নিচ্ছেন বিষয়ে মোস্তাহিদল হক বলেছেন, দেশ ও ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি ডেভলাপমেন্ট এবং ভবিষ্যত ব্যবসায় লাভের আশায় নিয়মিত বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে ইতোমেধ্যই দারাজে অন্তত সাড়ে সাত হাজার কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছে। এখন ৩২টি জেলাতেই দারাজের সেলার রয়েছে। গত দুই বছরে ঢাকার বাইরে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে।

২৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার দারাজ বিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিয়মিতভাবে আয়োজন করা ১১:১১ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ক্যাম্পেইন বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন দারাজ সিএমও তাজদিন হাসান। তিনি জানান, এক দিনে গত বছর ১৮ লাখ মানুষ দারাজ অ্যাপ ব্যবহার করেছে। অনলাইন মেগা সেলে বিক্রি প্রবিদ্ধি হয় ৮৬ শতাংশ। এর মধ্যে নতুন ক্রেতা বৃদ্ধির হার ৪৩ শতাংশ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দারাজের চিফ কমার্সিয়াল অফিসার সাব্বির হোসেন, চিফ অপারিটং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম প্রমুখ।